Skip to main content

একজন নেতা তাজউদ্দীন আহমদ


                                                               বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী

কার্যালয়ে


১১ই এপ্রিল, ১৯৭১ – ১২ই জানুয়ারি, ১৯৭২
রাষ্ট্রপতি
শেখ মুজিবুর রহমান
সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত)
উত্তরসূরী
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম
২৩ জুলাই, ১৯২৫
 দরদরিয়া, গাজীপুর জেলা (বাংলাদেশ), বঙ্গ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু
৩ নভেম্বর, ১৯৭৫
ঢাকা, বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দল
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গী
সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন
সন্তান
শারমিন আহমদ রিতি
সিমিন হোসেন রিমি
মাহজাবিন আহমদ মিমি
তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ
ধর্ম
ইসলাম

 আলোচনাঃ
তাজউদ্দীন আহমদ (জুলাই ২৩, ১৯২৫ - নভেম্বর ৩, ১৯৭৫ ) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম নেতা। তিনি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব সাফল্যের সাথে পালন করেন। একজন সৎ ও মেধাবী রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল
তাজউদ্দীন আহমদ মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন যা মুজিবনগর সরকার নামে অধিক পরিচিত। স্বাধীনতা পরবর্তীকালে তিনি   বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী হিসাবে ১৯৭৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারে নিহত হবার পর আরও তিনজন জাতীয় নেতাসহ তাঁকে বন্দী করে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়। সেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারেই ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর বন্দী অবস্থায় ঘাতকের বুলেটে তিনি নিহত হন










Comments

Popular posts from this blog

কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য

সুকান্ত ভট্টাচার্য   ( ১৫ই আগস্ট ,   ১৯২৬   -   ১৩ই মে ,   ১৯৪৭ )   বাংলা সাহিত্যের   মার্কসবাদী   ভাবধারায় বিশ্বাসী এবং প্রগতিশীল চেতনার অধিকারী তরুণ কবি । পিতা-নিবারন ভট্টাচার্য , মা-সুনীতি দেবী । ১৯২৬ সালের ১৫ আগস্ট মাতামহের ৪৩ , মহিম হালদার স্ট্রীটের বাড়ীতে , কালীঘাট , কলকাতায় তার জন্ম ।। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ফরিদপুর জেলার , বর্তমান   গোপালগঞ্জ জেলার   কোটালীপাড়া উপজেলার , উনশিয়া গ্রামে । ১৯৪৫ সালে প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হন । এ সময় ছাত্র আন্দোলন ও বামপন্থী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ায় তাঁর আনুষ্ঠানিক শিক্ষার সমাপ্তি ঘটে । সুকান্তের বাল্যবন্ধু ছিলেন কবি অরুনাচল বসু । সুকান্ত সমগ্রতে লেখা সুকান্তের চিঠিগুলির বেশিরভাগই অরুনাচল বসুকে লেখা । অরুনাচল বসুর মাতা কবি সরলা বসু সুকান্তকে পুত্রস্নেহে দেখতেন । সুকান্তের ছেলেবেলায় মাতৃহারা হলেও সরলা বসু তাকে সেই অভাব কিছুটা পুরন করে দিতেন । দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ,   তেতাল্লিশের মম্বন্তর ,   ফ্যাসিবাদী আগ্রাসন ,   সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা   ...

স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু

জগদীশ চন্দ্র বসু বাংলাদেশের   ময়মনসিংহ শহরে   ১৮৫৮   সালের   ৩০শে নভেম্বর   তারিখে জন্মগ্রহণ করেন । তার পরিবারের প্রকৃত বাসস্থান ছিল বাংলাদেশের   মুন্সিগঞ্জ জেলার   অন্তর্ভুক্ত   বিক্রমপুর   নামক স্থানের রাঢ়িখাল   গ্রামে । তার বাবা   ভগবান চন্দ্র বসু   তখন   ফরিদপুরের   ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন । এর আগে তিনি   ১৮৫৩   থেকে   ১৮৫৮   সাল পর্যন্ত   ময়মনসিংহ জিলা স্কুলের   প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন । ভগবান চন্দ্রই এই স্কুলের প্রথম প্রধান শিক্ষক ছিলেন । আলচনাঃ স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু   ( নভেম্বর ৩০ ,   ১৮৫৮   –   নভেম্বর ২৩ ,   ১৯৩৭ ) একজন সফল বাঙালি বিজ্ঞানী । তার গবেষণার প্রধান দিক ছিল উদ্ভিদ ও তড়িৎ চৌম্বক । তার আবিষ্কারের মধ্যে উদ্ভিদের বৃদ্ধিমাপক যন্ত্র   ক্রেস্কোগ্রাফ , উদ্ভিদের দেহের উত্তেজনার বেগ নিরুপক সমতল তরুলিপি যন্ত্র   রিজোনাষ্ট রেকর্ডারঅন্যতম । জগদীশ চন্দ্রের স্ত্রী   অবলা বসু   ছিলেন একজন বিদূষী ডাক্তার ও শিক্ষা...

মুনির চৌধুরী

আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী (জন্ম:২৭শে নভেম্বর, ১৯২৫ - মৃত্যু:১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১) একজন বাংলাদেশী শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক, ভাষাবিজ্ঞানী এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী। তিনি তৎকালীন ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে। তিনি ছিলেন ইংরেজ আমলের সরকারী কর্মচারী খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরীর চৌদ্দ সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয়। কবীর চৌধুরী তাঁর অগ্রজ, ফেরদৌসী মজুমদার তাঁর অনুজা। মুনীর চৌধুরী ১৯৪১ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল (বর্তমান ঢাকা কলেজ) থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় পাস করেন এবং ১৯৪৩ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় বিভাগে আইএসসি পাস করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজিতে অনার্স (১৯৪৬) এবং মাস্টার্স (১৯৪৭) পাস করেন, উভয় ক্ষেত্রেই দ্বিতীয় শ্রেণীতে। তিনি ছিলেন সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক ছাত্র। বক্তৃতানৈপুণ্যের সুবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রজীবনের প্রথম বছরেই, ১৯৪৩ সালে, হলের সেরা বক্তা হিসেবে প্রোভোস্ট্‌স কাপ জেতেন। ১৯৪৬ সালে নিখিল বঙ্গ সাহিত্য প্রতিযোগিতায় সর্বাধিক সংখ্যক পুরস্কার জেতেন...